সাধারণ প্লেয়ার থেকে আলাদা অভিজ্ঞতার জন্য super baij-এর হাই রোলার প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়েছে। বড় ডিপোজিট, বড় বেট, বড় পুরস্কার — সব কিছুই আলাদা মাত্রায়।
যত বেশি খেলবেন, তত বেশি সুবিধা পাবেন
আপনার VIP যাত্রার পথ:
প্রতিটি সুবিধা ডিজাইন করা হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের কথা মাথায় রেখে
প্রতি সোমবার আগের সপ্তাহের নেট লসের উপর ক্যাশব্যাক অ্যাকাউন্টে ক্রেডিট হয়। টায়ার অনুযায়ী ৫% থেকে ২০% পর্যন্ত।
গোল্ড টায়ার থেকে একজন নির্দিষ্ট ম্যানেজার আপনার সব প্রশ্ন ও সমস্যা সামলাবেন সরাসরি।
হাই রোলার উইথড্রল রিকোয়েস্ট সাধারণ কিউয়ের আগে প্রসেস হয়। ডায়মন্ড টায়ারে মাত্র ৫ মিনিটে।
ডায়মন্ড সদস্যরা যেকোনো পরিমাণ যেকোনো সময় উইথড্রল করতে পারেন। কোনো দৈনিক বা মাসিক সীমা নেই।
প্লাটিনাম ও ডায়মন্ড সদস্যরা নিজেদের খেলার ধরন অনুযায়ী কাস্টমাইজড বোনাস অফার পান।
ডায়মন্ড সদস্যদের জন্য বিশেষ হাই-লিমিট টেবিল রয়েছে যেখানে সর্বোচ্চ বেটের সীমা সাধারণের তুলনায় অনেক বেশি।
বড় ইভেন্টে ডায়মন্ড সদস্যরা তাদের VIP হোস্টের মাধ্যমে বিশেষ অডস নেগোশিয়েট করতে পারেন।
বিশেষ টুর্নামেন্ট, লাইভ ইভেন্ট ও এক্সক্লুসিভ গেমিং নাইটে আমন্ত্রণ পান প্লাটিনাম ও ডায়মন্ড সদস্যরা।
প্রতিটি টায়ারে ঠিক কী কী পাবেন
| সুবিধা | 🥈 সিলভার | 🥇 গোল্ড | 💎 প্লাটিনাম | 👑 ডায়মন্ড |
|---|---|---|---|---|
| ক্যাশব্যাক রেট | ৫% | ১০% | ১৫% | ২০% |
| ডেডিকেটেড ম্যানেজার | ||||
| মাসিক উইথড্রল সীমা | ৳৫ লক্ষ | ৳১৫ লক্ষ | ৳৫০ লক্ষ | সীমাহীন |
| পেআউট সময় | ৩০ মিনিট | ১০ মিনিট | ৭ মিনিট | ৫ মিনিট |
| কাস্টম বোনাস | ||||
| প্রাইভেট টেবিল | ||||
| নেগোশিয়েটেড অডস | ||||
| VIP ইভেন্ট |
বাংলাদেশে যারা বেটিংকে শুধু মাঝে মাঝে বিনোদন হিসেবে নেন না, বরং নিয়মিত এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণে খেলেন — তাদের জন্য সাধারণ প্লেয়ারের মতো একই সুবিধায় থাকা কখনোই যথেষ্ট নয়। super baij সেটা বোঝে। তাই হাই রোলার প্রোগ্রামটা তৈরি করা হয়েছে।
এই প্রোগ্রামের মূল ভিত্তি হলো — যত বড় খেলবেন, তত বড় স্বীকৃতি পাবেন। এটা শুধু ক্যাশব্যাকের কথা নয়। পুরো অভিজ্ঞতাটাই আলাদা হয়ে যায়। একটা উইথড্রল রিকোয়েস্ট দিলে সেটা সাধারণ কিউয়ে পড়ে না, বরং অগ্রাধিকার পায়। কোনো সমস্যা হলে যে কেউ চ্যাটে ধরা দেয় না — আপনার নিজস্ব ম্যানেজার সরাসরি সামলায়।
super baij-এর হাই রোলার প্রোগ্রামে চারটি স্তর রয়েছে — সিলভার, গোল্ড, প্লাটিনাম এবং ডায়মন্ড। প্রতি ক্যালেন্ডার মাসে আপনার মোট বেটের উপর ভিত্তি করে টায়ার নির্ধারিত হয়। একটি টায়ারে উঠলে পরের মাস পর্যন্ত সেই সুবিধা বজায় থাকে।
মাসের শেষে যদি বেটের পরিমাণ কিছুটা কম হয়, তাহলে একটি গ্রেস পিরিয়ড দেওয়া হয়। ডায়মন্ড সদস্যদের ক্ষেত্রে পর পর দুই মাস কম হলে তবেই টায়ার পরিবর্তন হয়। এতে আপনি একটু ওঠানামার মধ্যেও নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন।
প্লাটিনামে আসার পর থেকে অভিজ্ঞতাটা সম্পূর্ণ বদলে গেছে। একজন ম্যানেজার আছেন যিনি আমার পছন্দের খেলা জানেন, বড় ম্যাচের আগে আগে বিশেষ অফার পাঠান। এটা অন্য কোথাও পাইনি।
প্রতি সপ্তাহে সোমবার রাত ১২টার আগে আগের সাত দিনের নেট লস হিসাব করা হয়। নেট লস মানে মোট বেট বিয়োগ মোট জয়। যদি কোনো সপ্তাহে জেতেন, তাহলে সেই সপ্তাহের ক্যাশব্যাক শূন্য — তবে পরের সপ্তাহেও কিছু হারলে আবার ক্যাশব্যাক শুরু হবে।
ক্যাশব্যাকের টাকা সরাসরি বেটিং ব্যালেন্সে যোগ হয়। কোনো ওয়েজারিং শর্ত নেই — সরাসরি উইথড্রল করা যাবে। super baij-এ হাই রোলার ক্যাশব্যাক বছরে কোনো ক্যাপ ছাড়াই পাওয়া যায়।
সাধারণত বড় পরিমাণ বেট করলে প্ল্যাটফর্মে নানা রকম সীমাবদ্ধতা দেখা যায়। super baij হাই রোলার প্রোগ্রামে সেটা নেই। ডায়মন্ড সদস্যরা একটি ম্যাচে কত বেট করতে পারবেন তার সীমা সাধারণ প্লেয়ারের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। লাইভ বেটিংয়েও এই সুবিধা প্রযোজ্য।
বিশেষ করে ক্রিকেট বা ফুটবলের বড় ম্যাচে যারা এক সাথে বড় অংক বাজি ধরতে চান, তাদের জন্য এই সুবিধা অনেক কাজের। আগে যেখানে লিমিটের কারণে পুরো বেট রাখা যেত না, এখন সেই সমস্যা নেই।
super baij হাই রোলার সদস্যদের পেমেন্ট প্রক্রিয়া আলাদা চ্যানেলে পরিচালিত হয়। বিকাশ, নগদ বা রকেটে উইথড্রল করলে সেটা সাধারণ কিউয়ের বাইরে প্রাধান্য পায়। ডায়মন্ড সদস্যদের জন্য ৫ মিনিটের মধ্যে পেআউট নিশ্চিত করা হয়।
বড় অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তার জন্য অতিরিক্ত যাচাইকরণ স্তর রয়েছে। একটি বড় উইথড্রলের ক্ষেত্রে ম্যানেজার সরাসরি কল করে নিশ্চিত করেন — এটা আপনার অ্যাকাউন্টকে সুরক্ষিত রাখে। দায়িত্বশীল গেমিং সম্পর্কে আরও জানতে আমাদের দায়িত্বশীল খেলার গাইড দেখুন।
super baij-এ নিবন্ধন করুন এবং KYC যাচাই সম্পন্ন করুন।
মাসিক বেটের পরিমাণ ট্র্যাক করা হয় স্বয়ংক্রিয়ভাবে।
নির্ধারিত পরিমাণে পৌঁছলে টায়ার আপগ্রেড হয় স্বয়ংক্রিয়ভাবে।
পরের মাস থেকেই নতুন টায়ারের সব সুবিধা শুরু হয়ে যায়।
সারাদেশের VIP সদস্যরা কী বলছেন
"প্লাটিনামে আসার পর উইথড্রলের সময় কমে গেছে অনেক। আগে ৩০-৪০ মিনিট লাগত, এখন ৭ মিনিটেই নগদে চলে আসে। ম্যানেজার রাতেও সাড়া দেন — এটা সবচেয়ে বড় পার্থক্য।"
"ক্যাশব্যাকের টাকা সরাসরি ব্যালেন্সে আসে, কোনো ঝামেলা নেই। গত মাসে বড় একটা ক্ষতির পর ২০% ক্যাশব্যাক পেয়েছিলাম — সেটাই পরের সপ্তাহে কাজে লেগেছে। super baij সত্যিই হাই রোলারদের সম্মান করে।"
"বিশ্বকাপের ম্যাচে প্রাইভেট টেবিলে খেলার সুযোগ পেয়েছিলাম। লিমিট অনেক বেশি ছিল, কোনো ইস্যু ছাড়াই বড় বেট রাখতে পেরেছি। এই অভিজ্ঞতা অন্য কোথাও পাওয়া কঠিন।"
প্রায়ই জিজ্ঞাসা করা প্রশ্নের উত্তর